Tuesday, 27 October 2026 · বাংলা সংবাদBBARTA স্টাফ ডেস্ক ↗

আপনার এলাকার খবর, আপনার কণ্ঠে। খবর পাঠান, নির্বাচিত রিওয়ার্ড পান।

আপনিই রিপোর্টার ↗
স্থানীয় সংবাদ

ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়ে রেকর্ড ১৭তম শিরোপা ইস্টবেঙ্গলের

East Bengal Crush Mohun Bagan 4-1 to Win Record 17th Durand Cup

কলকাতা: কলকাতা ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে নতুন নজির গড়ল ইস্টবেঙ্গল। ৪-১ গোলে জিতে রেকর্ড ১৭তম ডুরান্ড কাপ নিজেদের ঘরে তুলল লাল-হলুদ শিবির। এর ফলে মোহনবাগানের সঙ্গে যুগ্মভাবে ডুরান্ড কাপের সর্বোচ্চ সংখ্যক শিরোপাজয়ী দল হয়ে উঠল ইস্টবেঙ্গল।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের হয়ে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করেন এডমান্ড লালরিনডিকা। তাঁর সঙ্গে রশিদ ও বিপিন সিংয়ের আক্রমণাত্মক ফুটবলে বারবার বিপাকে পড়ে মোহনবাগানের হাই-লাইন ডিফেন্স।

ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে রশিদের বাড়ানো বল থেকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন বিপিন সিং। গোলরক্ষক বিশাল কায়েথ বল আটকানোর চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি।

এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই ফের আঘাত হানে লাল-হলুদ। বক্সের বাইরে থেকে এডমান্ডের নেওয়া শট মাটিতে ড্রপ খেয়ে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। কায়েথের পক্ষে সেই বল আটকানো সম্ভব হয়নি।

২৩ মিনিটে ফের গোল করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এডমান্ড। তাঁর গতি ও দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে তখন ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। যদিও এই গোলের বিল্ড-আপে থাপাকে ফাউল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন মোহনবাগান সমর্থকরা।

ম্যাচে ফেরার সুযোগ অবশ্য পেয়েছিল মোহনবাগান। ৩৪ মিনিটে মনবীর সিং একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমান। তার কিছুক্ষণ পরেই আরও একটি সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।

কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ফের এডমান্ডের গোল। রশিদের ভাসানো ফ্রি-কিক থেকে উইংয়ে বাড়ানো বলে দ্বিতীয় পোস্টে দুরন্ত রান নিয়ে জালে বল জড়িয়ে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমান্ড। ১৯৯৭ সালে ফেডারেশন কাপে বাইচুং ভুটিয়ার পর কলকাতা ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে হ্যাটট্রিক করা প্রথম ফুটবলার হলেন তিনি।

৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মোহনবাগান। একের পর এক আক্রমণও তৈরি করে সবুজ-মেরুন শিবির। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণে বারবার আটকে যায় সেই সমস্ত আক্রমণ।

কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের রক্ষণাত্মক কৌশল ও কার্যকরী ‘বাস পার্কিং’ সিস্টেমে দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনও গোল করতে পারেনি মোহনবাগান। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়ে ডুরান্ড কাপের ১৭তম শিরোপা ঘরে তোলে ইস্টবেঙ্গল।

এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়, কলকাতা ডার্বির মঞ্চে লাল-হলুদের এক ঐতিহাসিক রাতও বটে।

এই খবরে সংশোধন জানান

মতামত

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *