Tuesday, 27 October 2026 · বাংলা সংবাদBBARTA স্টাফ ডেস্ক ↗

আপনার এলাকার খবর, আপনার কণ্ঠে। খবর পাঠান, নির্বাচিত রিওয়ার্ড পান।

আপনিই রিপোর্টার ↗
স্থানীয় সংবাদ

মেয়ে জন্মানোর ‘অপরাধে’ প্রাণ গেল বধূর! স্বামী-শ্বশুর গ্রেফতার

মেয়ে জন্মানোর ‘অপরাধে’ প্রাণ গেল বধূর! স্বামী-শ্বশুর গ্রেফতার

পুরুলিয়া: কন্যাসন্তানের জন্ম দেওয়ার পর গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। ঘটনায় মৃতার স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি পুরুলিয়ার জয়পুর থানার মুকুন্দপুর গ্রামের।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম পম্পা কর্মকার (২০)। সম্প্রতি তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই নানা কারণে পম্পার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হত। কন্যাসন্তানের জন্মের পর সেই নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ।

পরিবারের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ পম্পা তাঁর মাকে ফোন করে জানান, তিনি ভাল নেই। কিছুক্ষণ মা-মেয়ের মধ্যে কথা হয়। এর প্রায় দু’ঘণ্টা পর পম্পার শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর বাপের বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

তবে হাসপাতালে গিয়ে মৃতার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এরপরই তাঁদের সন্দেহ হয়। পম্পার দাদা ষষ্ঠী কর্মকারের অভিযোগ, ‘‘তিন বছর আগে বোনের বিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের পর থেকেই নানা অছিলায় ওর উপর অত্যাচার করা হত। বিয়ের এক বছর পর বোনের মেয়ে হয়। তারপর থেকেই নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।’’

ষষ্ঠীর আরও অভিযোগ, ‘‘আমার বিশ্বাস, বোনের শ্বশুরবাড়ির লোকজন ওকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে।’’

মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পম্পার স্বামী রঞ্জিত কর্মকার এবং শ্বশুর গঙ্গাধর কর্মকারকে গ্রেফতার করে। শনিবার ধৃত দু’জনকে পুরুলিয়া আদালতে হাজির করানো হয়। আদালত রঞ্জিত কর্মকারকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তাঁর বাবা গঙ্গাধর কর্মকারের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জয়পুর থানার পুলিশ। পম্পার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এই খবরে সংশোধন জানান

মতামত

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *